সাগরিকার আতংক কার্তিক,ভয়ংকর কিলারের পাহাড়তলী’তে ৮ মামলা!
নিজস্ব প্রতিবেদক :
চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানার বিটাক এলাকার আতংকের এক নাম আব্দুর রহিম প্রকাশ কার্তিক। চুরি ছিনতাই,হত্যা মামলা সহ ৮ টি মামলা তাঁর কাঁধে। পতিত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে শ্রমিকলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হয়ে বেশ বেপরোয়া তিনি। অস্ত্র চালনায় বেশ পটু। এক কথায় ভয়ংকর এক সন্ত্রাসী তিনি। চালান কিশোর গ্যাং।
অনুসন্ধান বলছে। পাহাড়তলী থানা সাগরিকা থেকে বিটাক বাজার এলাকা তাঁর অপরাধের সাম্রাজ্য। এই রুটে চুরি,ছিনতাই চাঁদাবাজী,হত্যা সব অপরাধেই জড়িত তিনি।
সাগরিকা রুটে এক শ্রমিক লীগ নেতা ও চাঁদাবাজ ইলিয়াস খানের অনুসারী। বিটাক এলাকায় চাঞ্চল্যকর ডবল মাডার মামলার আসামী এই ইলিয়াস ও তার সহযোগী আব্দুর রহিম প্রকাশ কার্তিক। জন্মসূত্রে সনাতন ধর্মাল্ববী হলেও ধর্মান্তরীত হয়ে মুসলিম ধর্ম গ্রহন করেন।
চলতি বছরের জানুয়ারীর ৩ তারিখ। ঘড়ির কাটায় রাত ৮:২০ মিনিট। জনি ও বেলাল নামের দুই বন্ধু পাহাড়তলী থানাধীন বিটাক বাজারের বাটেক্স গার্মেন্সর এর গলির মুখে রোজিনা ষ্টোরে আড্ডা দিচ্ছিলেন তাঁরা। হটাতই অস্ত্র হাতে দলবল নিয়ে হাজির হোন আব্দুর রহমান প্রকাশ কার্তিক। বেলাল উদ্দিনকে টেনে হিচছে বের করতে চাইলে বাধা দেন জনি৷ এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে জনিকে ছুরি দিতে কোপাতে থাকেন। এতে জনির হাত ও পিঠে আঘাত লাগে। এ সময় জনির প্যান্টের পকেটে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকা ও বেলালের মোটরসাইকেল প্রকাশ্য ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় জনি বাদী হয়ে গেল ৪ই জানুয়ারি পাহাড়তলী থানায় ৫ জন আসামী সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করে পাহাড়তলী থানা পুলিশ। তবে, ঘটনার মূল নায়ক আব্দুর রহিম প্রকাশ কার্তিক প্রকাশ্য ঘুরছে রাস্তায় এমন দাবী বাদীর।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী মো,জনি সিটিজি পোস্ট কে বলেন,বেলাল ভাইকে যখন কোপানোর জন্য নিয়ে যাচ্ছে ধামা ক্রিজ নিয়ে। তখন আমি বেলাল ভাইয়ের কলার ধরে পেছনে নিয়ে আমি সামনে গিয়ে দাড়াইছি। ওরা তিন চারজন এলোপাথারি কোপানো শুরু করছে।
জানতে চাইলে পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল আফসারকে একাধিকবার মুঠোফনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
