কর্ণফুলিতে কঠোর অবস্থানে টি আই আবু সাঈদ বাকের-বন্ধ টোকেন বাণিজ্য
নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের কর্ণফুলি মইজ্জারটেকে দীর্ঘ দিন ট্রাফিক পুলিশের নাম বিক্রি করে চলতো টোকেন বাণিজ্য। গাড়ি প্রতি টোকেনের বিনিময়ে নিত মোটা অংকের টাকা। একটি শক্তিশালী চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের কাছে জিন্মি ছিল চালকরা। দীর্ঘ দিনের এমন অভিযোগ ছিল পুলিশের কাছে। অবৈধ গাড়ি উপর ধারাবাহিক অভিযানে কিছুদিন এমন চাঁদাবাজী বন্ধ থাকলে ও কিছুদিন পরই মাথা চারা দিয়ে উঠতো কথিত সিন্ডিকেট।
তবে,দীর্ঘ দিন পুলিশের হুসিয়ারির পর এবার টোকেন বাণিজ্য’র পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বন্দর বিভাগের মইজ্জারটেক ট্রাফিক পুলিশ বক্সের ট্রাফিক পরিদর্শক (টি আই) আবু সাঈদ বাকার।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,একাধিক প্রভাবশালী সিন্ডিকেট পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে টোকেন বিক্রি করে মাসে হাতিয়ে নিয়েছিল লক্ষ টাকা। একাধিক মাধ্যমে ট্রাফিক পরিদর্শক ( টি আই) আবু সাঈদ বাকেরের কাছে সিন্ডিকেটের সাথে আঁতাত করতে প্রস্তাব দেন। কিন্তু টি আই আবু সাঈদ ছিলেন শক্ত অবস্থানে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন আমার এলাকায় কোন টোকেন বাণিজ্য চলবে না। কিন্তু এতে কিছু প্রভাবশালী সিন্ডিকেট তাঁর এই কঠোর হুসিয়ারীকে তোয়াক্কা না করেই চালিয়েছিল পরিবহনের টোকেন বাণিজ্য।
স্থানীয় সিএনজি চালক আব্দুল রহিম বলেন,একাধিক সিন্ডিকেট পুলিশের নাম বিক্রি করে আমাদের কাছে টোকেন বিক্রি করতো। না নিলে আমাদের মারধর করতো। হুমকি দিয়ে বলতো টোকেন না নিলে পুলিশ দিয়ে গাড়ি আটক করাবে। কিন্তু পরে জানতে পারি টি আই সাঈদ এই বিষয়ে আগেই হুসিয়ারি দিয়ে রেখেছে।
জানতে চাইলে মইজ্জার টেক ট্রাফিক পুলিশ বক্সের টি আই আবু সাঈদ বাকের বলেন,আমার এলাকায় কোন টোকেন বাণিজ্য চলবে না। গাড়ি আইন অনুযায়ী চললে ও কাগজপত্র ঠিক থাকলে কোন ধরনের পুলিশি হয়রানী করা হয় না। তবে, কিছু কুচক্রি মহল টোকেন বাণিজ্য করছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। আমি তাদের বলতে চাই কেউ যদি পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে এমন অপকর্ম করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আমি আইননানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
